Submissions
Author Guidelines
ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালে লেখা প্রকাশের নিয়মাবলি
ইসলামী আইন ও বিচার জার্নাল (ISSN Print: 1813-0372, Online: 2518-9530) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত (রেজি. নং: DA-6100) বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার-এর একটি ত্রৈমাসিক একাডেমিক রিসার্চ জার্নাল। যা প্রতি তিন মাস অন্তর, (জানুয়ারি-মার্চ, এপ্রিল-জুন, জুলাই-সেপ্টেম্বর, অক্টোবর-ডিসেম্বর) নিয়মিত প্রকাশিত হয়। এ জার্নালে জড়িত রয়েছেন একটি দক্ষ এডিটরিয়াল বডি, অভিজ্ঞ সম্পাদনা পরিষদ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদগণের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এডভাইজারি বোর্ড। জার্নালটি দেশের অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট বিভাগে গবেষণা পত্রিকা হিসেবে স্বীকৃত। একে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা জার্নালে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি অনলাইন ভার্সনও শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায় জার্নালে প্রকাশের জন্য দেশ-বিদেশের বাংলাভাষী শিক্ষাবিদ, আইনবিদ, অধ্যাপক ও গবেষকগণকে গবেষণা প্রবন্ধ/বুক রিভিউ প্রেরণের অনুরোধ করা হচ্ছে।
প্রবন্ধ প্রণয়নের উদ্দেশ্য
প্রবন্ধ প্রণয়নের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যসমূহ বিবেচনায় আনতে হবে:
ক. আইন ও বিচারসহ সামগ্রিক ইসলামী বিধান সম্পর্কে জনমনে আগ্রহ সৃষ্টি করা ও গণসচেতনতা তৈরি করা;
খ. ইসলামী জীবনবিধান সম্পর্কে পুঞ্জিভূত বিভ্রান্তি দূর করা;
গ. মুসলিম শাসনামলের ইসলামী আইন ও বিচারের প্রায়োগিক চিত্র তুলে ধরা;
ঘ. সমসাময়িক ও নতুন নতুন সমস্যার ইসলামী সমাধান উপস্থাপন;
ঙ. সমাজের সর্বস্তরে ইনসাফ ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত ব্যবস্থার ঘাটতি ও ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে সংস্কারের সুপারিশ পে
প্রবন্ধের বিষয়বস্তু
(১) এ জার্নালে ইসলামের অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, আইনতত্ত্ব, বিচারব্যবস্থা, ব্যাংক, বীমা, শেয়ারব্যবসা, আধুনিক ব্যবসায়-বাণিজ্য, ফিক্হশাস্ত্র, ইসলামী আইন, মুসলিম শাসকদের বিচারব্যবস্থা, মুসলিম সমাজ ও বিশ্বের সমসাময়িক সমস্যা ও এর ইসলামী সমাধান এবং তুলনামূলক ফিকহী পর্যালোচনামূলক প্রবন্ধকে গুরুত্ব দেয়া হয়।
(২) জার্নালে সর্বোচ্চ ২০০০ শব্দে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি গ্রন্থ পর্যালোচনাও প্রকাশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ইসলামী আইন ও বিচার বিষয়ক গ্রন্থ অগ্রাধিকার দেয়া হয়।
প্রবন্ধের ভাষা ও বানান রীতি
(১) প্রবন্ধটি বাংলা ভাষায় রচিত হতে হবে। তবে প্রয়োজনে ভিন্ন ভাষার উদ্ধৃতি প্রদান করা যাবে।
(২) প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে, তবে আরবী শব্দের ক্ষেত্রে ইসলামী ভাবধারা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
পাণ্ডুলিপি তৈরি
(১) পাণ্ডুলিপি অবশ্যই লেখক/লেখকগণের মৌলিক গবেষণা (Original Research) হতে হবে। অন্যের লেখা থেকে গৃহীত উদ্ধৃতির পরিমাণ প্রবন্ধের একচতুর্থাংশের কম হতে হবে।
(২) যৌথ রচনা হলে আলাদা পৃষ্ঠায় লেখকগণের কে কোন অংশ রচনা করেছেন বা প্রবন্ধ প্রণয়নে কার অবদান কতটুকু তার বিবরণ দিতে হবে।
(৩) প্রবন্ধের শব্দসংখ্যা সর্বনিম্ন ৩০০০ (তিন হাজার) এবং সর্বোচ্চ ৮০০০ (আট হাজার) এর মধ্যে হতে হবে। কম্পিউটার কম্পোজ করার জন্য বাংলা বিজয় কী-বোর্ড এর Sutonny MJ ফন্ট ব্যবহার করতে হবে।
সারসংক্ষেপ: প্রবন্ধের শুরুতে ১০০-১৫০ শব্দের মধ্যে একটি সারসংক্ষেপ (Abstract) থাকতে হবে। এ সারসংক্ষেপে প্রবন্ধের উদ্দেশ্য, প্রবন্ধে ব্যবহৃত গবেষণা পদ্ধতি ও গবেষণান্তে প্রাপ্ত ফলাফল সম্পর্কে ইঙ্গিত থাকবে।
- মূলশব্দ: সর্বাধিক ৫টি মূলশব্দ (Keywords) উল্লেখ করতে হবে।
- ইংরেজি অনুবাদ: প্রবন্ধের শিরোনাম, লেখকের নাম, সারসংক্ষেপ ও মূলশব্দ বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদও দিতে হবে।
- ভূমিকা: প্রবন্ধের ভূমিকায় বিষয়ের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও প্রবন্ধ রচনার যৌক্তিকতা সংক্ষেপে উপস্থাপন করতে হবে।
- গবেষণা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, গবেষণা প্রশ্ন ও পরিধি সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করতে হবে।
- সাহিত্য পর্যালোচনা (Literature Review ): লেখকের বর্তমান গবেষণা সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী গবেষণা প্রবন্ধ, থিসিস, গ্রন্থ ইত্যাদি পর্যালোচনা পূর্বক সাহিত্য ঘাটতি (Research Gap) নির্দেশ করতে হবে। (সর্বোচ্চ ৭০০ শব্দে), এক্ষেত্রে ইসলামি আইন ও বিচার জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধকে সাহিত্য পর্যালোচনায় প্রাধান্য দিতে হবে।
- গবেষণা পদ্ধতি : তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ও তথ্য বিশ্লেষণ পদ্ধতিসহ সামগ্রিক প্রবন্ধটিতে গৃহিত পদ্ধতিসমূহের সুসংক্ষিপ্ত কিন্তু পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিতে হবে।
- মূল আলোচনা: মূল আলোচনায় অবশ্যই লেখকের নিজস্ব চিন্তার প্রতিফলন ঘটবে এবং প্রবন্ধের বিষয়বস্তু কেন্দ্রিক হতে হবে। প্রবন্ধ প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্বের সাহিত্য কর্ম থেকে কোন সহযোগিতা নেয়া হলে বস্তুনিষ্ঠতার সাথে যথাযথ উদ্ধৃতি প্রদান করতে হবে। প্রবন্ধে অনুসৃত গবেষণা পদ্ধতি অনুযায়ী যথার্থ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
- গবেষণার সীমাবদ্ধতা ও পরবর্তী গবেষকদের জন্য সুযোগ চিহ্নিত করতে হবে।
- উপসংহার: প্রবন্ধ থেকে প্রাপ্ত ফলাফল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা বাস্তবায়নের গুরুত্ব ও উপকারিতা এবং আইনের ইসলামিকরণে এর ভূমিকা ও সুপারিশ তুলে ধরতে হবে।
উদ্ধৃতি উপস্থাপন নীতিমালা
- একাডেমিক চৌর্যকর্ম (Plagiarism) পরিত্যাগের জন্য ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালে উদ্ধৃতি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নীতিমালা অনুসরণ আবশ্যিক:
- হুবহু/প্রত্যক্ষ উদ্ধৃতি ৩০ শব্দের কম হলে চলমান লাইনে উভয় পাশে উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে এবং ৩০ শব্দের বেশি হলে মূল লেখা থেকে এক স্পেস নিচে ভিন্ন প্যারায় দুই পাশে অতিরিক্ত মার্জিন রেখে উল্লেখ করতে হবে। কোন সূত্র থেকে একই স্থানে অর্ধ পৃষ্ঠার অধিক হুবহু উদ্ধৃতি গ্রহণযোগ্য নয়।
- উদ্ধৃতি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বাক্যের মধ্যকার এক বা একাধিক শব্দ বা কিছু অংশ উহ্য রাখার প্রয়োজন হলে পরপর অনধিক তিনটি বিন্দু (...) উল্লেখ করতে হবে।
- এ জার্নালে রেফারেন্স (তথ্যসূত্র) উল্লেখের ক্ষেত্রে শিকাগো ফুটনোট (notes and bibliography) পদ্ধতি ব্যবহৃত হবে এবং ফুটনোট ও গ্রন্থপঞ্জি (bibliography) উপস্থাপনে ইংরেজি প্রতিবর্ণায়ন উল্লেখ করতে হবে। এক্ষেত্রে The Chicago Manual of Style, 18th Edition অনুসরণ করতে হবে। এর বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপ:
তথ্যসূত্র (Footnotes)
ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালে বিভিন্ন উৎস থেকে উদ্ধৃতি উপস্থাপনের উদাহরণ নিম্নরূপ:
আল-কুরআন, সূরার ক্রমিক নং: আয়াত নং; যেমন: (Al-Qur’an, 2:1-5)
ইমামের পূর্ণ নাম, বাঁকা অক্ষরে গ্রন্থের শিরোনাম (প্রকাশের স্থান: প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশকাল), হাদিস নং:.
লেখকের পূর্ণ নাম, বাঁকা অক্ষরে গ্রন্থের শিরোনাম (প্রকাশের স্থান: প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশকাল), পৃ. নং.
যেমন: Sayed Ahmad Palanpuri, Shariah Bishoye Siddanta daner Nitimala, Trans. Md. Abdullah (Dhaka: Islamic Foundation, 2009), 32.
যেমন: John W. Boyer and Julius Kirshner (ed.), The University of Chicago: A History (Chicago: University of Chicago Press, 2015), 45.
গ্রন্থকারের পূর্ণ নাম, বাঁকা অক্ষরে গ্রন্থের শিরোনাম , সম্পাদকরে নাম (সম্পা.) (প্রকাশের স্থান: প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশকাল), পৃ, নং.
যেমন: Abū ʿAbdullāh Muḥammad ibn Ismāʿīl al-Bukhārī, Al-Jāmiʿ al-Ṣaḥīḥ, ed. Muḥammad Fuʾād ʿAbd al-Bāqī (Beirut: Dār al-Kutub al-ʿIlmiyyah, 2004), 67.
৭. জার্নাল থেকে
* অনলাইন জার্নালের ক্ষেত্রে প্রবন্ধকারের নামের শেষাংশ, নামের বাকি অংশ. “উদ্ধৃতিচিহ্নের মধ্যে প্রবন্ধের নাম”বাঁকা অক্ষরে জার্নালের শিরোনাম ভলিউম/বর্ষ:ইস্যু/সংখ্যা (প্রকাশকাল) : পৃষ্ঠা থেকে-পৃষ্ঠা পর্যন্ত. তথ্য সংগ্রহের মাস তারিখ, বছর. DOI অথবা URL ঠিকানা.
ক. নিবন্ধকারের নাম. “উদ্ধৃতিচিহ্নের মধ্যে প্রবন্ধ/নিবন্ধের নাম” বাঁকা অক্ষরে পত্রিকার নাম, মাস তারিখ, বছর.
খ. নিবন্ধকারের নাম না থাকলে “উদ্ধৃতিচিহ্নের মধ্যে প্রবন্ধ/নিবন্ধের নাম” বাঁকা অক্ষরে পত্রিকার নাম, মাস তারিখ, বছর.
গ. পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনলাইন থেকে গ্রহণের ক্ষেত্রে উপরিউক্ত তথ্যের সাথে ওয়েব ঠিকানা.
যেমন: “Sara Deshe Kato Mamla Pending Janalen Prodhan Bicharpati” Dainik Ittefaq, July 15, 2023, https://www.ittefaq.com.bd/651933/সারাদেশে কত মামলা জানালেন প্রধান
(বি.দ্র: সংবাদপত্রের নাম লিখার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত The লিখার প্রয়োজন নেই)
৯. অভিসন্দর্ভ
গবেষকের নামের শেষাংশ, নামের বাকি অংশ. গবেষণাপত্র জমা প্রদানের সাল. “উদ্ধৃতিচিহ্নের মধ্যে থিসিস শিরোনাম”. পিএইচডি/এমফিল/মাস্টার্স থিসিস. বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম.
পেজের নাম/ব্লগারের নাম/লেখকের নাম, “উদ্ধৃতিচিহ্নের মধ্যে প্রবন্ধ/নিবন্ধ/ পয়েন্টের নাম”. সর্বশেষ পরিমার্জনের তারিখ/তথ্য সংগ্রহের মাস তারিখ. ওয়েব ঠিকানা.
প্রকাশের সালবিহীন: সালের স্থানে N.D. লিখতে হবে। যেমন: (Beirut: Dār al-Kutub al-ʿIlmiyyah, N.D.), 32
পৃষ্ঠা নং না থাকলে: পৃষ্ঠা নং এর স্থানে N.P. লিখতে হবে। যেমন:(Beirut: Dār al-Kutub al-ʿIlmiyyah, 2014), N.P.
প্রকাশের স্থানবিহীন: প্রকাশের শহরের স্থানে N.P. লিখতে হবে। যেমন: ... (N.P: Bookstore, 2014)
প্রকাশক বিহীন: গ্রন্থপঞ্জিতে প্রকাশকের স্থানে N.P. লিখতে হবে। যেমন: ... (Damascus: N.P., 2014)
১২. অন্যান্য উৎস
অন্যান্য উৎস থেকে উদ্ধতির ক্ষেত্রে (উদ্ধৃতি/ গ্রন্থপঞ্জি) Chicago Manual of Style (১৮তম সংস্করণ, ২০২৪) এ বর্ণিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এ সর্ম্পকেhttps://www.chicagomanualofstyle.org/book/ed18/frontmatter/toc.html লিংকে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রবন্ধের শেষে প্রবন্ধটি রচনার ক্ষেত্রে যেসব গ্রন্থ বা সূত্র থেকে সহযোগিতা নেয়া হয়েছে তার একটি তালিকা প্রদান করতে হবে। ইংরেজি ব্যতীত অন্যভাষার সূত্রের ক্ষেত্রে ইংরেজি প্রতিবর্ণায়নে উক্ত সূত্রের বর্ণনা উল্লেখ করতে হবে । লেখকের মূল নাম শুরুতে, নামের অন্যান্য অংশ রেখে গ্রন্থপঞ্জি সাজাতে হবে এবং তা ইংরেজি বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত করতে হবে
প্রবন্ধ জমাদান প্রক্রিয়া
- পাণ্ডুলিপি কম্পিউটার কম্পোজ করে ইসলামী আইন ও বিচার জার্নালের নিজস্ব ওয়েব সাইটে www.islamiainobichar.com এ গিয়ে প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে আপলোড করতে হবে।
- অথবা বিকল্প হিসেবে প্রবন্ধের সফট কপি ই-মেইলে (islamiainobichar@gmail.com বা islamiclaw_bd@yahoo.com) পাঠাতে হবে।
- ই-মেইলে প্রবন্ধ প্রেরণের ক্ষেত্রে লেখক/দেরকে এ মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে যে:
প্রকাশের জন্য লেখা নির্বাচন
- জমাকৃত প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য কমপক্ষে দু’জন বিশেষজ্ঞ দ্বারা পিয়ার রিভিউ (Peer Review) করানো হয়।
- রিভিউয়ের জন্য প্রেরণের সময় প্রবন্ধকারের নাম পরিচয় ও রিভিউয়ারগণের পরিচিতি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয় (Double Blind Review)।
- রিভিউ রিপোর্ট এবং সম্পাদনা পরিষদের মতামতের ভিত্তিতে প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য চূড়ান্ত করা হয়।
১. প্রবন্ধ প্রকাশিত হলে লেখক/গণ জার্নালের ২ (দুই) কপি এবং প্রবন্ধের ৫ (পাঁচ) কপি অফপ্রিন্ট বিনামূল্যে পাবেন।
২. প্রকাশিত প্রবন্ধের ব্যাপারে কারো ভিন্নমত থাকলে এবং তা যুক্তিযুক্ত, প্রামাণ্য ও বস্তুনিষ্ঠ মনে করা হলে উক্ত সমালোচনা জার্নালে প্রকাশ করা হয়।
৩. প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য প্রাথমিকভাবে গৃহিত হলে সম্পাদক ও রিভিউয়ারের নির্দেশনা অনুযায়ী লেখককে প্রবন্ধ সংশোধন করে পুনরায় জমা দিতে হয়, অন্যথায় তা প্রকাশ করা হয় না।
৪. জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধের কপিরাইট সেন্টার সংরক্ষণ করবে। প্রবন্ধের লেখক তার প্রকাশিত প্রবন্ধ অন্য কোথাও প্রকাশ করতে চাইলে সম্পাদক-এর নিকট থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
৫. সম্পাদনা পরিষদ প্রবন্ধে যে কোন প্রকার পরিবর্তন ও পরিমার্জন করার অধিকার রাখেন।
৬. যে কোন প্রবন্ধ প্রকাশ বা বাতিলের পূর্ণ অধিকার Editorial Team সংরক্ষণ করেন।
৭. এ সম্পর্কে কোন তথ্য জানার প্রয়োজন হলে www.islamiainobichar.com সাইটে করুন, অথবা
Submission Preparation Checklist
All submissions must meet the following requirements.
- The submission has not been previously published, nor is it before another journal for consideration (or an explanation has been provided in Comments to the Editor).
- The submission file is in OpenOffice, Microsoft Word, or RTF document file format.
- Where available, URLs for the references have been provided.
- The text is single-spaced; uses a 12-point font; employs italics, rather than underlining (except with URL addresses); and all illustrations, figures, and tables are placed within the text at the appropriate points, rather than at the end.
- The text adheres to the stylistic and bibliographic requirements outlined in the Author Guidelines.
- আমার লেখাটি অন্য কোথাও ছাপানোর জন্য প্রেরণ করা হয়নি।



